জেনে নিন ছেলেরা কিসমিস কেনো খাবেন

অন্যরা যে জনপ্রিয় ইংলিশনিউজ পড়ছেন

df

কিসমিসে থাকা বোরন মস্তিষ্কের জন্য খুবই উপকারি। বোরন ধ্যান বাড়াতে সহায়ক। ফলে কাজে মনোযোগ বাড়ে। এটি বাচ্চাদের পড়াশোনাতেও মনোযোগী করে তুলতে পারে।

কিসমিসকে শুকনো ফলের রাজা বলা হয়। সোনালী-বাদামী রংয়ের চুপসানো ভাঁজ হওয়া ফলটি খুবই শক্তিদায়ক। আঙ্গুর শুকিয়ে তৈরি করা হয় মিষ্টি স্বাদের কিসমিস। এটি খেলে শরীরের রক্ত দ্রুত বৃদ্ধি পায়, পিত্ত ও বায়ুর সমস্যা দূর হয়। এটি হৃদপিণ্ডের জন্যও উপকারি। এর অনেক উপকারিতা রয়েছে। চলুন জানা যাক সেসব

যৌন দুর্বলতাঃ নিয়মিত কিসমিস খেলে যৌন দুর্বলতা দূর হবে। এ ছারাও কিসমিস যৌন ক্ষমতা বৃদ্ধি করে।

পরিপাক তন্ত্রের উপকারিতা: কিসমিস কোষ্ঠ্যকাঠিন্য থেকে রক্ষা করে। নিয়মিত কিসমিস খেলে হজমশক্তি ভাল থাকে। এটি গ্যাস্ট্রোইনটেস্টিনাল (মুখ থেকে পায়ু) পথ থেকে বিষাক্ত পদার্থ বের করে দেয়।

মুখের স্বাস্থ্য রক্ষাকারক: অনেকে মিষ্টি স্বাদের জন্য কিসমিসকে কেন্ডির সাথে তুলনা করে ভুল করেন। তারা মনে করেন এটি দাঁত ও মুখের জন্য ক্ষতিকর। কিন্তু বাস্তবতা ভিন্ন। কিসমিসে অলিনিলীক এসিড থাকে। এটি মুখের ভিতর ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়ার জন্ম ব্যহত করে।

হাড় গঠন মজবুত করে: কিসমিসে প্রচুর ক্যালসিয়াম থাকে। এটি হাড় ও দাঁতের গঠন মজবুত করে। এতে বোরন থাকে। যা ক্যালসিয়াম শোষণে সহায়তা করে। এভাবে অস্টিওপরোসিস (হাড় ছিদ্র ও ভঙ্গুর হওয়া) থেকে হাড়কে রক্ষা করে।

এসিডিটি দূরকারী: যদি কারো রক্তে এসিডিটির পরিমাণ বৃদ্ধি পায় তবে তাকে তার নাস্তায় কিসমিস খেতে বলা যায়। কিসমিসে থাকা পটাশিয়াম ও ম্যাগনেশিয়াম এসিডকে নিষ্ক্রিয় করতে সক্ষম।

রক্তাল্পতার রক্ষক: কিসমিসে প্রচুর আয়রন থাকে। যা রক্তাল্পতার বিরুদ্ধে লড়াই করে। এতে নতুন রক্তকোষ তৈরি করতে সক্ষম ভিটামিন-বি কমপ্লেক্স থাকে। কিসমিসে লোহিত রক্তকণিকা তৈরিতে সাহায্যকারি কপারও আছে।

দৃষ্টি শক্তি বৃদ্ধিকারক: রক্তে ভিটামিন এ, এ-বিটা ক্যারোটিন এবং এ-ক্যারোটিনয়েড থাকে। এগুলো এন্টি-অক্সিডেন্ট হিসেবে কাজ করতে পারে। যা চোখের ফ্রি-রেডিকল দূর করতে সক্ষম। কিসমিস খেলে সহজে শরীরে বয়সের ছাপ পড়ে না। দৃষ্টি শক্তি হ্রাস ও চোখে ছানি পড়ে না। পাশাপাশি পেশী শক্তি হ্রাস পায় না।

মস্তিষ্কের জন্য উপকারি: কিসমিসে থাকা বোরন মস্তিষ্কের জন্য খুবই উপকারি। বোরন ধ্যান বাড়াতে সহায়ক। ফলে কাজে মনোযোগ বাড়ে। এটি বাচ্চাদের পড়াশোনাতেও মনোযোগী করে তুলতে পারে।

কোলোস্টেরল বিরোধী: কিসমিসে প্রচুর দ্রবণীয় ফাইবার বা আঁশ থাকে। ফলে কিসমিস খেলে শরীরে কোলোস্টেরল মাত্রা কমে যায়। এতে থাকা পলিফেনল এনজাইম শরীরে কোলোস্টেরল শোষণে সহায়তা করে।

ক্যান্সার রোধক: কিসমিস ক্যান্সার কোষ বৃদ্ধিতে বাঁধা প্রদান করে।

ওজন বাড়ানো: কিসমিসে প্রচুর ফ্রুক্টোজ ও গ্লুকোজ থাকে। তাই এটি ওজন বাড়াতে সহায়ক। যদি সঠিক নিয়মে ওজন বাড়াতে চান তবে আজই কিসমিস খেতে পারেন।

আমরা আজকাল ভাজাপোড়া খাবার খেতে পছন্দ করি। কিন্তু সেগুলোর অধিকাংশই শরীরের জন্য ক্ষতিকর। তাই আমাদের খাদ্য তালিকায় প্রথম পছন্দ হওয়া উচিৎ প্রাকৃতিক খাবার। ফলমূল হলে তো কথাই নেই। তাই খাদ্য তালিকায় আজই কিসমিস যোগ করুন।

Loading...