সাবধান! যে ভুলগুলো করলে আপনার গোপননাঙ্গ শিথিল হবে

অন্যরা যে জনপ্রিয় ইংলিশনিউজ পড়ছেন

xcc

কিছু শারীরিক সমস্যা নিয়ে খোলাখুলি আলোচনা করেন না অনেকেই। ডাক্তার দেখাতেও লজ্জা। কিন্তু ওই সমস্যাগুলিই শেষ করে দিতে পারে জীবনের আনন্দ। শেষ করে দেয় একটা সম্পর্ক। রোগটির নাম ইরেক্টাইল ডিসফাংশন বা লিঙ্গ শিথিলতা। আসলে মানুষ নিজেদের সমস্যা নিজেরাই ডেকে আনে কিছু অভ্যাসের দ্বারা।
বর্তমান বিশ্বে লিঙ্গ শিথিলতা বা ইরেক্টাইল ডিসফাংশন নামক শারীরিক সমস্যাটি বাড়ছে লাফিয়ে। ব্রিটেনেই দেখা গিয়েছে, ৪০ বছরের নীচে ২০ শতাংশ পুরুষ লিঙ্গ শিথিলতায় ভুগছেন। যার জেরে যৌন জীবন শেষ।
ঠিক কী কী অভ্যাসের জেরে লিঙ্গ শিথিলতার শিকার হতে হয়?

ব্রিটেনের চিকিত্‍‌সকরা বলছেন,

১. প্রচুর পরিমাণে জাঙ্ক ফুড খাওয়া। যার জেরে বাড়ে মেদ। মেদ কিন্তু লিঙ্গ শিথিলতার একটি অন্যতম কারণ।

২. মদ্যপান। মাত্রাতিরিক্ত মদ্যপান লিঙ্গ শিথিল করে দেয়।

৩. ধূমপান। ধূমপান হার্টের মারাত্মক ক্ষতি করে। একই সঙ্গে শরীরে রক্ত চলাচল কমিয়ে দেয়। যার নির্যাস, ইরেক্টাইল ডিসফাংশন।

৪. মানসিক অবসাদ। মানসিক অবসাদ যৌন জীবনকে মারাত্মক ক্ষতিগ্রস্থ করে।

৫. পর্যাপ্ত ঘুম অত্যন্ত জরুরি। ঘুমের অভাবও লিঙ্গ শিথিলতা বা ইরেক্টাইল ডিসফাংশনের অন্যতম কারণ।

৬. উচ্চ রক্তচাপ ও কোলেস্টেরল অল্প বয়সেই যৌন জীবন শেষ করে দিতে পারে।

তবে চিকিত্‍‌সকরা বলছেন, ভয়ের কিছু নেই। দরকার, আলোচনা। ইরেক্টাইল ডিসফাংশনের জেরে যদি দিনের পর দিন যৌন জীবন ব্যাহত হয়, তাহলে দেরি না করে সঙ্গিনীর সঙ্গে আলোচনা করা উচিত। বর্তমান চিকিত্‍‌সা ব্যবস্থায় ইরেক্টাইল ডিসফাংশনের অত্যাধুনিক চিকিত্‍‌সা রয়েছে। তবে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে আলোচনাকেই এক্ষেত্রে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছেন চিকিত্‍‌সকরা। এবং অবশ্যই শরীরচর্চা করে নিজেকে সুস্থ রাখা।

ইউনিভার্সিটি অফ অ্যাডিলেডের গবেষণায় দেখা গিয়েছে, স্রেফ লাইফ স্টাইল পরিবর্তন করেই ইরেক্টাইল ডিসফাংশন থেকে মুক্তি পাওয়া যায়। ওষুধ খাওয়ার দরকারই পড়ে না

Loading...