ঘুঘুমারি: বেঁচে থাকার লড়াই যেখানে অবিরাম

মাঘের হাঁড়কাপানো শীত উপেক্ষা করে রমনা ঘাট থেকে ছুটল ইঞ্জিনচালিত নৌকা। কুড়িগ্রামের চিলমারী উপজেলার এ ঘাট থেকে গন্তব্য ঘুঘুমারি চরে যেতে নৌপথেই পাড়ি দিতে হবে ১৫ কিলোমিটার। বাকি ৩ কিলোমিটার স্থল হলেও চরের বালুপথ পাড়ি দিতে হবে ঘোড়ার গাড়ি আর পায়ে হেঁটে।

নৌকা থেকে যতদূর চোখ যায়, বালুচর ছাড়া আর কিছুই দেখা যাচ্ছিল না। ঘণ্টা খানেক পর নৌপথের যাত্রা শেষ হল। এরপর ঘোড়ার গাড়ি চেপে খানিক পথ যাওয়ার পর সেই বাহন থমকে দাঁড়াল। বালুর সেই চেনা পথ যে শীতের মধ্যে কঠিন ঠেকছিল ঘোড়ার কাছে! অগত্যা হেঁটেই বাকি কিলো দেড়েক পথ পাড়ি দিতে হল।

এরপরই সামনে এল ঘুঘুমারি চরের জনবসতি। উলিপুর উপজেলার এ দুর্গম চরে সাধারণত মূল ভূখণ্ডের কেউ যেতে চান না। ভৌগোলিকভাবে চরটি পড়েছে রৌমারী, চিলমারী ও উলিপুর উপজেলার মাঝামাঝি অংশে।

চরের বাসিন্দাদের সঙ্গে আলাপে জানা গেল, দুই যুগ আগে ব্রহ্মপুত্র নদের বুক চিড়ে ঘুঘুমারি চর জাগে। প্রায় এক হাজার একর বিস্তৃত এই চরে ৪৫০টি পরিবারের হাজার দুয়েক মানুষের বাস।

বিস্তারিত পড়ুন

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Scroll to Top