
পল্লি অঞ্চলের দারিদ্র্য দূরীকরণে গড়ে ওঠা পল্লী দারিদ্র্য বিমোচন ফাউন্ডেশনের (পিডিবিএফ) কর্মকর্তারা দারিদ্র্য কমানোর বদলে নিজেরাই অনিয়ম-দুর্নীতিতে জড়িয়ে পড়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। ভুয়া কাগজপত্র বানিয়ে ঋণের টাকা আত্মসাৎ করেছেন। দরপত্র ছাড়া বেশি দামে নিম্নমানের যন্ত্রপাতি কিনেছেন। সংস্থার টাকা ব্যাংকের বদলে নিজেদের পছন্দের প্রতিষ্ঠানে জমা করেছেন।
মহা হিসাব নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রকের (সিএজি) কার্যালয়ের এক বিশেষ নিরীক্ষায় উঠে এসেছে, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় বিভাগের অধীন পিডিবিএফে ১৬ ধরনের আর্থিক অনিয়ম হয়েছে। এতে ক্ষতি হয়েছে প্রায় ৬০৮ কোটি ৯ লাখ ৩৮ হাজার টাকা।
পিডিবিএফের ২০১৭-১৮, ২০১৮-১৯ ও ২০১৯-২০—এই তিন অর্থবছরের নিরীক্ষা প্রতিবেদন তৈরি করেছে সিএজি কার্যালয়। এতে বলা হয়, অভ্যন্তরীণ নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থার দুর্বলতা ও আর্থিক বিধিবিধান পরিপালন না করায় এসব অনিয়ম হয়েছে। গুরুতর অনিয়মের মধ্যে রয়েছে সরকারি কেনাকাটা বিধিমালা (পিপিআর) ও সরকারি বিধিবিধান ও পিডিবিএফের নিজস্ব বিধান অনুসরণ না করা, প্রতিষ্ঠানের নিজস্ব ও সরকারি অর্থ আদায় ও জমার ক্ষেত্রে অনিয়ম ও শৈথিল্য ইত্যাদি।
স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের অধীন স্বায়ত্তশাসিত নন-ব্যাংকিং আর্থিক প্রতিষ্ঠান পিডিবিএফ ১৯৯৯ সালে প্রতিষ্ঠা করা হয়।



