পার্বত্য অঞ্চলে বন্যা পরিস্থিতির আপডেট তথ্য

বান্দরবানে পানির নিচে হাজারও ঘরবাড়ি

টানা বৃষ্টিপাত ও উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে দেশের পার্বত্য অঞ্চলের অনেক জায়গা পানির নিচে তলিয়ে গেছে। প্লাবিত হওয়া এলাকার মানুষজন দুর্ভোগে পড়েছেন। অনেক জায়গায় পাহাড় ধসে পড়েছে। সড়ক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়েছে। বিদ্যুৎ নেই বেশিরভাগ এলাকায়। দুর্গত এলাকার মানুষজন ছুটছেন আশ্রয় কেন্দ্রের দিকে।

দেশের দক্ষিণ-পূর্ব এলাকার বন্যা পরিস্থিতি
সর্বশেষ আপডেট ৮ আগস্ট ২০২৩, সন্ধ্যা ৬টা ২৯ মিনিট

চার জেলার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ

টানা বৃষ্টি ও পাহাড়ী ঢলের কারণে জলবদ্ধতা তৈরি হয়েছে চট্টগ্রাম, খাগড়াছড়ি, বান্দরবান ও কক্সবাজার জেলায়। বৃষ্টির পানি এবং পাহাড়ি ঢলের কারণে এ চার জেলার অধিকাংশ রাস্তাঘাট ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পানি উঠেছে। এই চার জেলার সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান আগামী ২ দিন বন্ধ ঘোষণা করেছে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বোর্ড। 

সাজেকে আটকা দেড় শতাধিক পর্যটক

কয়েক দিনের টানা ভারী বর্ষণে রাঙ্গামাটির বাঘাইছড়ির নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। পাহাড়ধসে রাস্তাঘাটে চলাচলে তৈরি হয়েছে প্রতিবন্ধকতা। বাঘাইহাট বাজার ও মাচালং সেতুতে যান চলাচল বন্ধ করে দিয়েছে উপজেলা প্রশাসন। আর এতে সাজেক পর্যটনকেন্দ্রে আটকা পড়েছে দেড় শতাধিক পর্যটক। 

আজ মঙ্গলবার পর্যটক আটকে পড়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বাঘাইছড়ি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রুমানা আক্তার। তিনি বলেন, ‘পর্যটকেরা নিরাপদেই রয়েছেন। তবে সড়কযোগাযোগ স্বাভাবিক হতে কয়েক দিন সময় লেগে যাবে।’ 

কক্সবাজারে বন্যার অবনতি, পানিবন্দি সাড়ে ৪ লাখ মানুষ

বৃষ্টি, পাহাড়ি ঢল ও জোয়ারের পানিতে কক্সবাজারে বন্যা পরিস্থিতির আরও অবনতি হয়েছে। নতুন করে প্লাবিত হচ্ছে বিভিন্ন এলাকা। 

মঙ্গলবার দুপুর পর্যন্ত জেলার সাতটি উপজেলার কমপক্ষে ৪৫টি ইউনিয়নের সাড়ে চার লাখ মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছে। পানির কারণে চট্টগ্রাম-কক্সবাজার সড়ক যোগাযোগ বন্ধ রয়েছে। 

আবহাওয়া অফিসের কক্সবাজার আঞ্চলিক কার্যালয়ের জ্যেষ্ঠ পর্যবেক্ষণ কর্মকর্তা দুলাল চন্দ্র দাশ জানিয়েছেন, সোমবার সকাল ৬টা থেকে মঙ্গলবার সকাল ৬টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় জেলায় ১৬৭ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। মঙ্গলবার সকাল ৬টা থেকে বেলা ১২টা পর্যন্ত বৃষ্টি হয়েছে ১৭ মিলিমিটার। 

আগামী তিন দিনেও বৃষ্টি অব্যাহত থাকবে। এতে পাহাড় ধসের আশঙ্কাও রয়েছে বলে জানান তিনি। 

কক্সবাজারের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) বিভীষণ কান্তি দাশ জানান, সোমবার সন্ধ্যা পর্যন্ত কক্সবাজারের প্লাবিত ইউনিয়নের সংখ্যা ছিল ৩১টি। মঙ্গলবার এসে ৪৫ ইউনিয়ন প্লাবিত হওয়ার তথ্য মিলছে। যেখানে ৭০ হাজারের বেশি পরিবারের সাড়ে ৪ লক্ষাধিক মানুষ পানিবন্দি রয়েছে। 

চট্টগ্রাম ও বান্দরবানে সেনা মোতায়েন

 টানা বৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলে সৃষ্ট বন্যায় চট্টগ্রাম ও বান্দরবানে দুর্গতদের সহায়তায় সেনা মোতায়েন করা হয়েছে।

আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর-আইএসপিআর ৮ আগস্ট মঙ্গলবার জানিয়েছে, সেনা সদস্যের মাধ্যমে নিরলসভাবে উদ্ধার তৎপরতা, জরুরি ত্রাণ পরিচালনা ও চিকিৎসা সহায়তা কার্যক্রম চলমান রয়েছে।

সেনাবাহিনীর অন্যান্য ফরমেশনসমূহ দায়িত্বপূর্ণ এলাকায় বন্যা পরিস্থিতি সতর্কতার সঙ্গে পর্যবেক্ষণ করছে এবং অসামরিক প্রশাসনকে সহায়তার জন্য সদা প্রস্তুত রয়েছে।

বন্যা পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত সেনাবাহিনীর সহায়তা কার্যক্রম অব্যাহত রাখার কথা জানিয়েছে আইএসপিআর।

বন্যা পরিস্থিতিতে সহযোগিতায় নেমেছেন সেনাসদস্যরা

চট্টগ্রাম থেকে কক্সবাজারের যান চলাচল বন্ধ

বান্দরবানের পর চট্টগ্রাম থেকে কক্সবাজারের যান চলাচলও ৮ আগস্ট মঙ্গলবার বন্ধ হয়ে গেছে। এতে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন ওই দুই জেলার যাত্রীরা।

কয়েক দিনের বৃষ্টিতে যোগাযোগের দুটি সড়কই পানিতে তলিয়ে গেছে। দুই জেলার যাত্রীরা নগরের বহদ্দারহাট বাস টার্মিনাল ও কর্ণফুলী তৃতীয় সেতু এলাকায় ভিড় করেছেন। তাতেও সুবিধা করে উঠতে না পেরে অনেকে বিমুখ হয়ে বাসায় ফিরে যাচ্ছেন।

চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়ক তলিয়ে গেছে, আটকে আছে যানবাহন

মঙ্গলবার তৃতীয় সেতু এলাকা থেকে কক্সবাজার ও বান্দরবানের উদ্দেশে কোনো গাড়ি ছেড়ে যাচ্ছে না। শুধু দক্ষিণ চট্টগ্রামের বিভিন্ন উপজেলামুখী গাড়ি চলছে। ওই দুই জেলার অনেকে ভেঙে ভেঙে গন্তব্যে পৌঁছানোর চেষ্টায় উপজেলামুখী গাড়িতে উঠে যাচ্ছেন। কিন্তু সড়কের পানি মাড়িয়ে শেষ পর্যন্ত বান্দরবান ও কক্সবাজার পৌঁছাতে পারবেন কি না জানেন না তাঁরা।

বান্দরবানে পাহাড়ধসে মা-মেয়ে নিহত

বান্দরবান সদরে অতিবৃষ্টিতে পাহাড়ধসে একই পরিবারের মা-মেয়ে নিহত হয়েছেন। প্লাবিত হয়েছে হাজারেরও বেশি ঘরবাড়ি। বান্দরবান-থানচি সড়কের ১২ মাইল এলাকায় পাহাড়ধসে সড়কে গাছ পড়ে বান্দরবান থেকে রুমা-থানচি যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন রয়েছে।

৭ আগস্ট সোমবার দুপুরে পাহাড়ধসে বান্দরবান পৌরসভার কালাঘাটা গোধার পাড় এলাকার বাশি শীলের স্ত্রী ও মেয়ে নিহত হয়েছেন। তাদের মধ্যে মা সন্ধ্যা রানী শীলের (৫২) মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। তবে এ ঘটনার ২৪ ঘণ্টার পরও উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি তার মেয়ে বুলু শীলের (২২) মরদেহ।

হাজার হাজার ঘরবাড়ি প্লাবিত

বান্দরবানের হাজার হাজার ঘরবাড়ি প্লাবিত হয়েছে। সদরের ক্যাচিং ঘাটা এলাকার বাসিন্দা ওসমান আলী বলেন, তার ঘরের দ্বিতীয় তলা পানিতে ডুবে গেছে। ঘর থেকে কিছুই বের করতে পারেননি।বাধ্য হয়ে ক্যাচিং ঘাটা সাইক্লোন সেন্টারে আশ্রয় নিয়েছেন।

আলীকদম উপজেলা চেয়ারম্যান আবুল কালাম জানান, মাতামুহুরী নদীর পানিতে চৈক্ষ্যং ইউপি পরিষদ এলাকার সড়ক প্লাবিত হয়ে আলীকদমে সড়ক যোগাযোগ বন্ধ রয়েছে।

বান্দরবান সদরের বাসিন্দা রামপদ দাস বলেন, ‘গতরাত থেকে বিদ্যুৎ সংযোগ ও মোবাইল নেটওয়ার্ক না থাকায় কারও সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারছি না। এমনকি মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমেও টাকা তুলতে পারছি না।’

দুর্যোগ মোকাবিলায় প্রশাসন থেকে ১৯২টি আশ্রয়কেন্দ্র খোলা হয়েছে। তবে মোবাইল নেটওয়ার্ক বন্ধ থাকায় আশ্রয় কেন্দ্রগুলোতে মোট কতজন আশ্রয় নিয়েছেন তা জানা যায়নি। প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের সঙ্গেও যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।

ভারী বৃষ্টিতে অনেক জায়গায় পাহাড় ধসে পড়ে

পানিবন্দি বান্দরবান: ৩ দিন ধরে বিদ্যুৎ নেই, খাবার পানির সংকট

টানা ভারী বৃষ্টি আর পাহাড়ি ঢলে পানিবন্দি হয়ে আছে বান্দরবান জেলা। বান্দরবান শহরের প্রায় ৯০ ভাগ এলাকাই প্লাবিত হয়েছে। সেইসঙ্গে তিন দিন ধরে বিদ্যুৎ না থাকায় এবং খাওয়ার পানির সংকটে চরম দুর্ভোগে পড়েছেন সেখানকার বাসিন্দারা।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, বন্যা পরিস্থিতির অবনতি হওয়ায় বান্দরবান সদর, লামা, রুমা, থানচি, আলীকদমসহ ও রোয়াংছড়ি উপজেলার বেশিরভাগ এলাকা বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন। বিদ্যুতের সাথে মোবাইল নেটওয়ার্ক না থাকায় যোগাযোগব্যবস্থা অচল হয়ে পড়েছে।

টানা বর্ষণে প্লাবিত খাগড়াছড়ির নিম্নাঞ্চল, লংগদুর সঙ্গে যোগাযোগ বন্ধ

টানা ভারি বর্ষণ আর পাহাড়ি ঢলে মাইনী নদীর পানি বেড়ে প্লাবিত হয়েছে পার্বত্য জেলা খাগড়াছড়ির নিচু এলাকা।

দীঘিনালা উপজেলার মেরুং ইউনিয়নের বেইলি ব্রিজ, সাজেক সড়কের কবাখালী বাজার, লংগদু সড়কের বড় মেরুং, মেরুংবাজার ও দাঙাবাজার এলাকার সড়কের বিভিন্ন অংশ পানিতে ডুবে গেছে বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন।

মেরুং ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাহমুদা বেগম লাকি জানান, তার ইউনিয়নে বেইলি ব্রিজ ডুবে যাওয়ায় খাগড়াছড়ির সঙ্গে রাঙ্গামাটির লংগদুর সড়ক যোগাযোগ বন্ধ হয়ে গেছে।

কক্সবাজারে পাহাড়ধসে নিহত ৪

কক্সবাজারে পৃথক স্থানে পাহাড়ধসে চারজন নিহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। তাদের মধ্যে তিনজন শিশু ও একজন নারী।

৭ আগস্ট সোমবার বিকেলে উখিয়ার রোহিঙ্গা ক্যাম্পে ও চকরিয়া উপজেলার পূর্ব ভিলিজার পাড়ায় এ ঘটনা ঘটে। নিহতরা হলেন- জান্নাত আরা (২৮) ও তার মেয়ে মাহিম আক্তার (২)। বাকি দুই শিশুর পরিচয় পাওয়া যায়নি।

পানির নিচে বান্দরবান শহর

শেষ ২৪ ঘণ্টায় দেশের সর্বোচ্চ ২৬৮ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে বান্দরবানে। এতে পানিতে তলিয়ে গেছে পার্বত্য জেলাটি। বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে অনেক এলাকা। ভোগান্তিতে পড়েছেন হাজারো মানুষ।

বান্দরবানের থানচি উপজেলার বলিবাজার বাগান পাড়া থেকে তোলা 

বন্যা পরিস্থিতির অবনতি হওয়ায় বান্দরবান সদর, রুমা, আলীকদমসহ জেলার বেশিরভাগ এলাকা বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন রয়েছে। মোবাইল নেটওয়ার্ক না থাকায় যোগাযোগব্যবস্থা অচল হয়ে পড়েছে। প্রায় এক সপ্তাহ ধরে টানা বৃষ্টিতে এ অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। প্রাণ বাঁচাতে অনেকে সাইক্লোন সেন্টারে আশ্রয় নিয়েছেন।

শুধু বান্দরবান নয়, মঙ্গলবার সকাল পর্যন্ত গত ২৪ ঘণ্টায় দুইশ মিলিমিটারের বেশি বৃষ্টিপাত হয়েছে আরো কয়েকটি জেলায়। নিকলিতে বৃষ্টিপাতের পরিমাণ ছিল ২৩৫ মিলিমিটার, বগুড়ায় বৃষ্টিপাত হয়েছে ২১৩ মিলিমিটার এবং ভোলায় ২১০ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হয়েছে।

নগরী ছাড়িয়ে দুর্ভোগ গ্রামেও, চট্টগ্রামে পানিবন্দি ৩ লাখ মানুষ

চার দিনের টানা বৃষ্টিতে জলাবদ্ধতায় চট্টগ্রাম নগরবাসীর দুর্ভোগের পাশাপাশি পাহাড়ি নদীগুলোর পানি বেড়ে এবং খাল-জলাশয় উপচে চট্টগ্রামের ১৩টি উপজেলার প্রায় তিন লাখ মানুষও পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন।

বৃষ্টির শুরু ৪ আগস্ট শুক্রবার থেকে নগরের বিভিন্ন এলাকা যেমন ডুবছে, তেমনি রোববার নতুন নতুন গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। চতুর্থ দিনের বর্ষণে ৭ আগস্ট সোমবার সকাল থেকে কয়েকটি উপজেলার মূল সড়কে এবং রেললাইনে পানি ওঠার খবর এসেছে।

সোমবার রাতে চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কে চন্দনাইশ কলেজ গেট এলাকা থেকে সাতকানিয়ার কেরানিহাট পর্যন্ত সড়কে পানি উঠে যায়। এতে যানজটের সৃষ্টি হয়েছে।

সোমবার রাতে পর্যন্ত চট্টগ্রামের ১৫টি উপজেলার মধ্যে দক্ষিণের সাতকানিয়া, বাঁশখালী, পটিয়া ও আনোয়ারা এবং উত্তরের রাউজান, রাঙ্গুনিয়া, সীতাকুণ্ড, মীরসরাই, হাটহাজারী ও ফটিকছড়ির পানিতে তলিয়ে যাওয়া এলাকার পরিমাণ বেশি।

এছাড়া চন্দনাইশ, বোয়ালখালী ও সন্দ্বীপের কিছু এলাকার মানুষও পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন।

টানা বৃষ্টিতে খাগড়াছড়িতে পাহাড় ধস, নিম্নাঞ্চল প্লাবিত

ভারি বৃষ্টিতে খাগড়াছড়িতে একাধিক স্থানে আকস্মিক পাহাড় ধসের ঘটনা ঘটেছে, প্লাবিত হয়েছে নিম্নাঞ্চল। তবে হতাহতের কোনো খবর পাওয়া যায়নি।

৭ আগস্ট সোমবার দুপুরে পৌর শহরের শালবন, কলাবাগান, সবুজবাগ এলাকায় পাহাড় ধসে গেছে।

এদিকে চেঙ্গী নদীর পানির বাড়ায় শহরের নিচু এলাকাগুলো প্লাবিত হয়েছে। পানিবন্দি প্রায় তিন হাজার পরিবার। এ ছাড়া মানিকছড়ি উপজেলায় পাহাড় ধসে যাওয়ায় ঝুঁকিতে পড়েছে বৈদ্যুতিক খুঁটি।

সংস্কারে সেনাবাহিনী কাজ করছে বলে জানিয়েছে মানিকছড়ি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রক্তিম চৌধুরী।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Scroll to Top