
ইউরোপ বা আমেরিকা নয়, অখ্যাত কয়েকটি ক্যারিবীয় দ্বীপরাষ্ট্রের পাসপোর্ট প্রকল্পে দুহাতে টাকা ঢালছেন বাংলাদেশি কোটিপতিরা। ইতোমধ্যে অনেকের হাতে হাতে ঘুরছে এসব পাসপোর্ট। বিনিয়োগকারীদের মধ্যে রাজনীতিবিদ ও ধনাঢ্য ব্যবসায়ী ছাড়াও আছেন সরকারি-বেসরকারি সেক্টরের প্রভাবশালীরা। এমনকি পরিচয় লুকিয়ে ভিন্ন নাম-ঠিকানায় পাসপোর্ট পেতেও মরিয়া অনেকে।
তবে বিদেশি পাসপোর্ট প্রকল্পে বিনিয়োগের পুরোটাই পাচার হচ্ছে-এমন সন্দেহ করে দেশের গোয়েন্দা সংস্থাগুলো। এমনকি এ নিয়ে কয়েক দফা বৈঠকে বসে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। এ সময় দ্বীপরাষ্ট্রগুলোর পাসপোর্ট পাওয়ার প্রক্রিয়া নিয়ে প্রতিবেদন তৈরির সুপারিশ করা হয়। এছাড়া এ ধরনের পাসপোর্ট গ্রহীতাদের তালিকা তৈরির সিদ্ধান্ত নেয় সরকার। যদিও পরে বিষয়টি আর বেশিদূর এগোয়নি।
এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে বুধবার বিকালে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান বলেন, ‘আমিও এসব শুনেছি। কিন্তু আমার কাছে এখনো এ বিষয়ে সুনির্দিষ্টভাবে কিছু আসেনি। এসব নিয়ে আমাদের সংস্থাগুলো কাজ করছে। এক্ষেত্রে প্রমাণযোগ্য তথ্য পেলে অবশ্যই প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
গোপন পাসপোর্ট : ক্যারিবিয়ান দ্বীপরাষ্ট্রগুলোর মধ্যে অ্যান্টিগুয়া অ্যান্ড বারবুডায় বিনিয়োকারী বাংলাদেশির সংখ্যা সর্বোচ্চ। সে দেশের বিশেষ নাগরিকত্ব প্রকল্পে বিনিয়োগ করে ইতোমধ্যে পাসপোর্ট নিয়েছেন চট্টগ্রামের প্রয়াত রাজনীতিবিদ আক্তারুজ্জামান চৌধুরীর ছেলে আনিসুজ্জামান চৌধুরী (নম্বর এবি০৮৬৮৭১) এবং তার স্ত্রী ইমরানা জামান চৌধুরী (এবি০৮৬৮৭২)। অ্যান্টিগুয়ান অ্যান্ড বারবুডান নাগরিক হিসাবে ২০১৮ সালের ৮ মার্চ তাদের নামে পাসপোর্ট ইস্যু করা হয়। পাসপোর্টগুলোয় ২০৩২ সালের ৬ ডিসেম্বর পর্যন্ত বিদেশ ভ্রমণের সুবিধা রয়েছে।



