যন্ত্রণাহীন শেষ কিছুদিন: প্রশমন সেবায় বাংলাদেশ কোথায়?

ছয় মাস আগে জরায়ু ক্যান্সার ধরা পড়ে আকলিমার, চিকিৎসা শুরুর পর তীব্র ব্যথা-বমি-দুর্বলতা আর রক্তশূন্যতার মত জটিলতায় বন্ধ রাখতে হয় কেমোথেরাপি; শারীরিক যন্ত্রণার সঙ্গে নানা দুঃশ্চিন্তা আর অবসাদে ভেঙে পড়েন তিনি।

পরে একজনের পরামর্শে ভর্তি হন বাংলাদেশ ক্যানসার সোসাইটি হাসপাতালের প্যালিয়েটিভ কেয়ার ইউনিটে। সেখানে চিকিৎসা ও সেবার পর শারীরিক যন্ত্রণার সঙ্গে মানসিক অবসাদও অনেকটা কমে আসে। ফের শুরু করেন ক্যান্সারের চিকিৎসা।

অবিবাহিত আকলিমা খাতুনের বয়স ৫০ পেরোয়নি। তার দেখাশোনা করছেন এক ভাগনে।

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে তিনি বলেন, “ক্যান্সার শনাক্তের কয়েক দিনের মধ্যেই শুরু করা হয় কেমোথেরাপি। তিনটি কেমোথেরাপির পর শারীরিক ও মানসিকভাবে আর চিকিৎসা নিতে পারছিলেন না খালা। তখন এক বন্ধুর মাধ্যমে জেনে তাকে ভর্তি করি বাংলাদেশ ক্যানসার সোসাইটি হাসপাতালের প্যালিয়েটিভ কেয়ার ইউনিটে।

“অথচ খালা যখন যন্ত্রণায় কাতরাচ্ছিলেন, তখন চিকিৎসকের কাছ থেকেও প্যালিয়েটিভ কেয়ারে নেওয়ার কোনো ধরনের পরামর্শ পাইনি।”

বিস্তারিত পড়ুন

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Scroll to Top