‘রান্নার জন্য এমন ঠান্ডায় রাতবেরাতে উইঠা বইয়া থাকতে হয়’

শেষরাতে বৃদ্ধ আরশ আলীর ঘুম ভেঙে যায় প্রতিদিন। এরপর বিছনা ছেড়ে সোজা চলে যান রান্নাঘরে। চুলার চাবি ঘুরিয়ে পরীক্ষা করে দেখেন, গ্যাসের চাপ আছে কি না? গ্যাসের চাপ বেশি থাকলে স্ত্রী কামরুন্নেসাকে ঘুম থেকে ডেকে তুলে আরশ আলী বলেন, ‘চুলায় গ্যাস আছে। রান্না বসাও।’

স্বামীর ডাকে উঠে পড়েন বৃদ্ধা কামরুন্নেসা। এরপর হাতমুখ ধুয়ে চলে আসেন রান্নাঘরে। চুলা জ্বালিয়ে ভাত চড়ান।

কামরুন্নেসা প্রথম আলোকে বলেন, ‘আগে শীতের দিন আসলে কমতো কিন্তু কোনো রকম রান্না কইরা খাইতে পারতাম। এখন যে রকম হইতাছে, চলার মতো না। গ্যাসের চাপ এতই কম থাকে যে পাক করার (রান্না করা) কোনো উপায় থাকে না। রান্না করতে হইলে ভোররাত তিনটায় উঠতে হবে। দুই মাস ধরে সকাল ছয়টার পর গ্যাস চলে যায়।’

পুরো প্রতিবেদনটি পড়ুন

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Scroll to Top