সড়কের যন্ত্রণা কতটা কমাল মেট্রোরেল

একেকটি কর্মদিবসে মেট্রোরেল ব্যবহার করছে আড়াই লাখের মত মানুষ, যারা এর আগে বাস, অটোরিকশা, প্রাইভেট কার বা অন্য বাহনে চলতেন। তারা সেসব বাহনে চাপেন না বলে চাপ অনেকটা কমেছে সড়কে।

ফলে মেট্রো ছাড়া অন্য বাহনে ফার্মগেট হয়ে মিরপুরে যাতায়াতও আগের চেয়ে মসৃণ হয়েছে। দিনের বেশিরভাগ সময় মোটামুটি নির্বিঘ্নেই চলাচল করা যাচ্ছে।

তীব্র যানজটে ভোগা নগরীতে কোনো ‘টোটকা’ যখন কাজ করছিল না, তখন আসল ভেলকিটা দেখিয়েছে মেট্রোরেল। উত্তরা থেকে মতিঝিল পর্যন্ত সড়ক চিত্র পাল্টে যাওয়ার পর এখন অন্য রুটগুলো কবে চালু হবে, সেই অপেক্ষায় নগরবাসী।

মেট্রোরেলের প্রথম রুটটি চালু হয়েছে তিন ধাপে। ২০২২ সালের ২৮ অক্টোবর পর্যন্ত উত্তরার দিয়াবাড়ী থেকে আগারগাঁও পর্যন্ত চালু হওয়া রুটটিকে কয়েক মাস ছিল পিকনিকের আমেজ।

গত নভেম্বরে উত্তরা থেকে মতিঝিল পর্যন্ত রুটটি চালু হলেও তা চলছিল বেলা পৌনে ১২টা পর্যন্ত। ফলে পুরো সুফল মিলছিল না। তবে চলতি বছরের ২০ জানুয়ারি থেকে সকাল ৭ টা থেকে পৌনে ৯টা পর্যন্ত মেট্রো চলাচল শুরু হওয়ার পর থেকেই পাল্টে যায় পুরো চিত্র।

সেদিন থেকে মিরপুরের বাসিন্দাদের একটি বড় অংশ সড়কের বদলে রেলে ঝুঁকেছে। আর মিরপুর থেকে মতিঝিল রুটে বাসগুলো দিনের বেশিরভাগ সময় ভুগছে যাত্রীর অভাবে। অটোরিকশার চাহিদাও গেছে কমে। বাইকাররা যাত্রী পাচ্ছেন না বললেই চলে। এই রুটের বাসগুলো অন্য রুটে চালানোর চেষ্টাও শুরু হয়েছে।

মিরপুর থেকে মতিঝিলের পথে যাতায়াতের যন্ত্রণা দূর হওয়ার পর মিরপুরে বাড়ি ভাড়ার চাহিদা বেড়ে গেছে, ফলে লাফ দিয়েছে ভাড়ায়।

বিস্তারিত পড়ুন

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Scroll to Top