উচ্চ শুল্ক ও ডলারের দাম বৃদ্ধিসহ পাঁচ কারণ

উচ্চ শুল্ক ও ডলারের দাম বৃদ্ধিসহ পাঁচ কারণে রমজানের তিন পণ্য-চিনি, ভোজ্যতেল ও খেজুরের দাম সাধারণ মানুষের ক্রয় ক্ষমতার মধ্যে আনা যাচ্ছে না। অন্য কারণগুলো হচ্ছে-বিশ্ববাজারে পণ্যের দামে ঊর্ধ্বগতি, আমদানি মূল্যকে ভিত্তি না ধরে শুল্কায়ন পদ্ধতি এবং পরিশোধন ব্যয় বৃদ্ধি। বিদ্যমান পরিস্থিতিতে স্থানীয় বাজারে মূল্য সমন্বয়ও সম্ভব হচ্ছে না। এ তিন পণ্যের মূল্য পরিস্থিতির ওপর বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের পর্যবেক্ষণ প্রতিবেদনে উঠে এসেছে এসব তথ্য। তবে এসব কারণে পণ্যের দাম যতটুকু বাড়ার কথা, বাস্তবে দেখা যাচ্ছে এরচেয়ে অনেক বেশি দামে বিক্রি করছেন ব্যবসায়ীরা। এর নেপথ্যে রয়েছে সিন্ডিকেটের কারসাজি।

শুল্কের বিষয়ে ওই প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, এক কেজি চিনি আমদানিতে শুল্ক আদায় করা হচ্ছে সর্বোচ্চ ৪৬ টাকা ও খেজুরে ১৬০- ২০০ টাকা এবং ভোজ্যতেল টনপ্রতি ১৫ শতাংশ।

এদিকে রমজানকে সামনে রেখে ভোজ্যতেল, চিনি, খেজুর ও চালের ওপর উচ্চ শুল্ক হার কমাতে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডকে নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সোমবার মন্ত্রিসভার বৈঠকে এ নির্দেশ দেন। তিনি দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রীদের সমন্বয়ের ভিত্তিতে কাজ করতে বলেছেন।

রোজার এই তিন পণ্যে বেশি শুল্ক আরোপের কারণে বাজারে মূল্য বাড়ছে-এমন তথ্য প্রকাশ্যে নিয়ে আসে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়। এরপর ভোজ্যতেল, চিনি ও খেজুরের ওপর শুল্ক কমানোর জন্য জাতীয় রাজস্ব বোর্ডকে চিঠি দেওয়া হয়। জানতে চাইলে সাবেক সিনিয়র অর্থ সচিব মাহবুব আহমেদ যুগান্তরকে জানান, ভোজ্যতেল, চিনি ও খেজুরের শুল্ক হার কমানো হলে এটি ভোক্তার স্বার্থ রক্ষা হবে। এ উদ্যোগের ফলে ঘাটতি রাজস্ব পূরণের জন্য স্বাভাবিক ভ্যাট, আয়কর আদায়ে জোর দিতে হবে। পাশাপাশি কর ফাঁকি রোধ করতে হবে। একই সঙ্গে খেয়াল রাখতে হবে এ প্রস্তাব যদি কার্যকর হয় তাহলে এর সুফল যেন সাধারণ ভোক্তারা পান। সরকার দাম কমানোর জন্য শুল্ক ও ভ্যাট প্রত্যাহার করবেন, ব্যবসায়ীরা যদি আগের মূল্যেই বিক্রি করেন তাহলে এর সুফল ব্যবসায়ীদের পকেটে যাবে। এজন্য বাজার ব্যবস্থাপনা ও মনিটরিং কঠোরভাবে পরিচালনা করতে হবে।

বিস্তারিত পড়ুন

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Scroll to Top