
কর্মক্ষেত্রে সফলতা কে না চায়। তবে বলে-কয়ে তো আর সবার হাতে সাফল্য ধরা দেয় না। সফলতা অর্জনের জন্য নিয়মিত ধৈর্য-সহকারে কাজ করে যেতে হয়। আবার শুধু কাজ করে গেলেই হয় না। কাজের ক্ষেত্রে কৌশলীও হতে হয়।
এমন ১০টি কৌশলের কথাই আজ জানব।
উদ্যোগ নিন
এখনকার চাকরিগুলোতে ভালো করতে হলে কিংবা নেতৃত্ব-পর্যায়ে যেতে হলে দায়িত্ব ও ঝুঁকি নিতে হয়। গতানুগতিক এবং সবসময় নিরাপদ অবস্থানে থেকে কাজ করে বেশিদূর যাওয়া যায় না। বর্তমান প্রতিযোগিতামূলক বাজারে নিযোগদাতারা দেখতে চায় কারা নিত্য-নতুন আইডিয়া নিয়ে আসছে, কারা নতুন কিছু করার উদ্যোগ নিচ্ছে, ব্যবসার ভালোর জন্য কে ভিন্নভাবে চিন্তা করছে, কে ভিন্নধর্মী সমাধান নিয়ে আসছে। সচেতনভাবে কাজ করুন। কোথায় অফিসের উন্নতির সুযোগ আছে, তা দেখুন, বলুন এবং করুন।
নিজেই নিজের কাজের মূল্যায়ন করুন
ক্যারিয়ারে ভালো করার জন্য নিজেই নিজের কাজের মূল্যায়ন করতে পারাটা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বছর শেষে বস আপনার কাজের মূল্যায়ন করবে, সেজন্য অপেক্ষা না করে নিজেই নিজের মূল্যায়ন করুন। অফিসে নিশ্চয়ই আপনার একটি লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা আছে। তার সঙ্গে সমন্বয় রেখে নিজেই নিজের জন্য একটি লক্ষ্য নির্ধারণ করুন এবং কীভাবে তা অর্জন করা যায়, তার পরিকল্পনা করুন। কাজকে দৈনিক, সাপ্তাহিক ও মাসিক ভিত্তিতে ভাগ করে নিন। ধাপে ধাপে লক্ষ্যগুলো অর্জন করুন। লক্ষ্য একদিনে অর্জিত হবে না, তবে তার জন্য প্রতিদিনই কাজ করতে হবে। নিজেকে মূল্যায়নের জন্য সপ্তাহে বা মাসে একটি সময় নির্দিষ্ট করে রাখুন।
শেখার জন্য সর্বদা প্রস্তুত থাকুন
ক্যারিয়ারে ভালো করার জন্য শেখার আগ্রহের কোনো বিকল্প নেই। নিজে শিখবেন, অন্যদের কাছ থেকে যৌক্তিক প্রতিক্রিয়া গ্রহণ করবেন এবং সে অনুযায়ী নিজেকে সংশোধন বা পরিবর্তন করবেন। আপনি যে বিশ্ববিদ্যালয়েই পড়ুন না কেন কিংবা যে ডিগ্রিই থাকুক না কেন, সময়ের সঙ্গে তাল মেলাতে হলে প্রতিনিয়ত শিখতে হবে। প্রতিদিন অফিসে যেসব কাজ করছেন, সেগুলো সম্পর্কে মনে মনে নিজেকে প্রশ্ন করুন। কেন কাজটি করছেন, এভাবে করছেন কেন, কোন কাজটি করলে কী লাভ, না করলে কী ক্ষতি ইত্যাদি। নতুন চাকরিতে যোগ দেওয়ার পর প্রথমে কিছুটা এলোমেলো লাগতে পারে। তবে কর্তৃপক্ষ যাতে মনে করে আপনি শিখতে আগ্রহী এবং আপনি শেখানোর উপযুক্ত।



