জরায়ুমুখের ক্যানসার প্রতিরোধ

প্রতিবছর জরায়ুমুখ ক্যানসারে যত নারী আক্রান্ত হন, তাঁদের অর্ধেকের বেশিই মারা যান। বাংলাদেশে গাইনোকোলজিক্যাল ক্যানসারে মাতৃমৃত্যুর দ্বিতীয় প্রধান কারণ এটি। প্রথম কারণ ব্রেস্ট ক্যানসার। ৯৯ দশমিক ৯৯ শতাংশ ক্ষেত্রে এর জন্য দায়ী এইচপিভি ভাইরাস। এটি যৌন সম্পর্কের মাধ্যমে ছড়ায়। আর এইচপিভি ভাইরাস ছড়ায় পুরুষদের মাধ্যমে। কাজেই নারী-পুরুষ সবাইকে সচেতন হতে হবে।

লক্ষণ

জরায়ুমুখ ক্যানসারের লক্ষণের মধ্যে রয়েছে—দুর্গন্ধযুক্ত সাদা স্রাব, অনিয়মিত রক্তস্রাব, সহবাস-পরবর্তী রক্তস্রাব। ৩৫ থেকে ৫৫ বছর বয়সে এটা বেশি হয়। 

প্রাথমিক অবস্থায় ধরা পড়লে চিকিৎসায় এই রোগ সেরে যায়। প্রাথমিক অবস্থায় এই রোগ নির্ণয়ের নানা পদ্ধতি আছে। এর মধ্যে পেপস স্মেয়ার ও ভায়া অন্যতম। প্রতি তিন বছর পরপর পরীক্ষা করতে হয়। অ্যাডভান্স অবস্থায় শনাক্ত হলে অস্ত্রোপচার অথবা রেডিওথেরাপি অথবা দুটি দিয়েই চিকিৎসা করা হয়।

বিস্তারিত পড়ুন

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Scroll to Top