ক্যান্সারে বসত

সারওয়ার আলী

আমার স্বাস্থ্য কখনোই খুব ভালো ছিল না। তবে আমি সুস্বাস্থ্যের অধিকারী ছিলাম। সাধারণত বয়স ৪০ বছর পেরোলে অনেকেই নানারকম অসংক্রামক রোগ-ব্যাধিতে আক্রান্ত হন। আমার তেমন কিছু ছিল না। আমার একটাই সমস্যা ছিল। ইরেটিবেল বায়োল সিনড্রোম। পেটের বিরক্তিকর এই সমস্যা নিয়েও আমি খুব সক্রিয় জীবনযাপন করেছি। বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনেও কাজ করেছি সক্রিয়ভাবে।

আমার মুখগহবরে অ্যাপথাস হতো। এটি সাধারণত ৪-৭ দিন থাকে। ২০২২ সালের অক্টোবর মাসের প্রথমদিকে সে রকম একটি অ্যাপথাস আবারও হয়। আমি ভেবেছিলাম, এটি স্বাভাবিক ব্যাপার। আমি ডায়াবেটিস সমিতির সহ-সভাপতি। ন্যাশনাল কাউন্সিলের সভায় যোগ দিতে গিয়েছি। সেখানে যাবার আগে একজন ডাক্তারকে দেখালাম। তিনি দেখে বললেন, তার ভালো মনে হচ্ছে না। সেজন্য আমাকে বায়োপসি করালেন।

বায়োপসির ফলাফল জানলাম ২ নভেম্বর। রোগের নাম স্কোয়ামাশ সেল কার্সিনোমা (এসসিসি)। সার্বিকভাবে আমি প্রচণ্ড দুশ্চিন্তায় পড়লাম। আমার জীবনটা বদলে গেল। বারডেম হাসপাতালের চেয়ারম্যান ছিলাম। ওরা দ্রুত একটা বোর্ড গঠন করল। বিএসএমএমইউ-তে ঢেসোমাইনো ডিপার্টমেন্টও ছিল। গঠিত বোর্ড ইতোমধ্যে যা যা টেস্ট করা প্রয়োজন, সবই করল। তারা আমাকে জানালেন, আমাদের দেশে এই সার্জারি এবং রিকনস্ট্রাকশনের সক্ষমতা নেই।

বিস্তারিত পড়ুন

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Scroll to Top