মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধে জড়িয়েছে ১০ দেশ, যুক্তরাষ্ট্র এখন কী করবে


পিটার বার্গেন

মধ্যপ্রাচ্য এখন একটি আঞ্চলিক যুদ্ধের মুখোমুখি। এ প্রেক্ষাপটে দেশটির উচিত হবে, খুব দ্রুত তাদের কৌশল পরিবর্তন করা।

গত রোববার জর্ডানে ড্রোন হামলায় ৩ মার্কিন সেনা নিহত ও ৩০-এর বেশি আহত হয়েছেন। ৭ অক্টোবর ইসরায়েলে হামাসের হামলার পর এটাই মার্কিনদের নিশানা করে পরিচালিত কোনো প্রাণঘাতী হামলা।

গাজায় যুদ্ধ শুরুর পর থেকে বাইডেন প্রশাসনের কর্মকর্তারা একই বিষয়ে নানা রকম ভাষ্য দিয়েছেন এবং একই সঙ্গে এ সংঘাত যেন আর না ছড়ায়, সে চেষ্টা চালিয়েছেন কঠোরভাবে।

তা সত্ত্বেও গত চার মাসে আমরা কী কী দেখেছি, তার একটা ফিরিস্তি দেওয়া যাক—লোহিত সাগরে বাণিজ্যিক জাহাজ ও মার্কিন রণতরিতে হুতিদের নিয়মিত ড্রোন ও মিসাইল হামলা এবং হুতিদের নিশানা করে যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের পাল্টা হামলা।

লেবাননে হিজবুল্লাহকে নিশানা করে ইসরায়েলিদের প্রাত্যহিক হামলা এবং হিজবুল্লাহর পাল্টা হামলা।

ইরাক ও সিরিয়ায় মার্কিন সেনাদের লক্ষ্য করে দেড় শতাধিক ড্রোন ও মিসাইল হামলা। জবাবে ইরাক ও সিরিয়ায় ইরানের সমর্থনপুষ্ট মিলিশিয়ার ওপর মার্কিন হামলা।

ইরানের সঙ্গে সম্পর্ক আছে, সিরিয়ার এমন সব লক্ষ্যবস্তুতে ইসরায়েলের উপর্যুপরি হামলা।

ইরানে আইএসআইএসের ভয়ংকর হামলা। পাকিস্তান ও ইরানের মধ্যে পাল্টাপাল্টি হামলা।

গাজায় পুরোদমে যুদ্ধ চলছে এবং এ যুদ্ধ বন্ধের কোনো লক্ষণ নেই। এর মধ্যেই আবার ইসরায়েলের একটি অংশ জোর গলায় হিজবুল্লাহর সঙ্গে দেশটির যুদ্ধে জড়ানো উচিত বলে দাবি তুলছে। কারণ হিসেবে তারা বলছে, ইরান-সমর্থিত দলগুলোর ছোড়া রকেট থেকে রক্ষা পেতে কয়েক লাখ ইসরায়েলি বাড়িঘর ছেড়ে পালিয়েছে।

বিস্তারিত পড়ুন

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Scroll to Top