
বিভুরঞ্জন সরকার
বিএনপির শীর্ষ নেতৃত্ব এখনো আন্দোলন ও সরকার পতন নিয়ে একধরনের কল্পনার জগতে আছেন বলে মনে হয়। কিছু ফেসবুক বিপ্লবীর অবাস্তব গল্পকথায় যে দেশে গণ-অভ্যুত্থান হবে না, এটা বিএনপি যত দিন উপলব্ধিতে না নেবে, তত দিন দলটি কোনো সঠিক পথের সন্ধান পাবে না।
দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন শেষ হয়েছে। নতুন মন্ত্রিসভা কাজ শুরু করেছে। নতুন সরকারকে বিভিন্ন দেশ ও আন্তর্জাতিক সংস্থার পক্ষ থেকে অভিনন্দন জানানো হচ্ছে। যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত পিটার হাসও আগের অবস্থানে নেই। দৃশ্যত সবকিছু ঠিকঠাক আছে বলেই মনে হচ্ছে। কিন্তু সাদা চোখে যা দেখা যাচ্ছে, তার বাইরেও কিছু বিষয় আছে, যে বিষয়গুলো আগামী দিনগুলোতে সরকার, সংসদের বিরোধী দল ও রাজপথের বিরোধী দলকে অস্বস্তিতে ফেলবে।
৭ জানুয়ারির নির্বাচন কতটা সুষ্ঠু হয়েছে তা নিয়ে সরকারি দল ও সরকারের মিত্রদের বক্তব্য নির্বাচনবিরোধী পক্ষের মতকেই জোরালো করছে।
‘সূক্ষ্ম কারচুপি করে মাদারীপুর-৩ আসনে নৌকাকে হারানো হয়েছে’—এমন অভিযোগ করেছেন আবদুস সোবহান গোলাপ। তিনি আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় প্রচার সম্পাদক। গোলাপের অভিযোগ, ভোটকেন্দ্র থেকে নৌকার এজেন্ট বের করে দেওয়া হয়েছে। লিখিত অভিযোগ করেও সুরাহা পাননি। নৌকায় ভোট দেওয়ায় তিন শতাধিক বাড়িঘর ভাঙচুর করা হয়েছে, জ্বালিয়ে দেওয়া হয়েছে, লুটপাট করা হয়েছে। প্রায় ৩৫ থেকে ৪০টি গ্রামের অনেক লোককে মারধর করা হয়েছে। ৩০ থেকে ৪০ জন গুরুতর আহত হয়ে বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।



