জনপ্রতিনিধিদের সঙ্গে তৃণমূলের বিরোধে দুশ্চিন্তায় আওয়ামী লীগ

তৃণমূলের নেতাকর্মীদের সঙ্গে আওয়ামী লীগের স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের বিরোধ নতুন নয়। তবে এই বিরোধ এখন প্রকট আকার ধারণ করেছে। জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে দলের এই কোন্দল মিটিয়ে তৃণমূলে ঐক্য প্রতিষ্ঠা করা বড় চ্যালেঞ্জ আওয়ামী লীগের জন্য।

সম্প্রতি আওয়ামী লীগের বিশেষ বর্ধিত সভায় তৃণমূলের রাজনীতিতে দলীয় নেতাকর্মীদের বিরোধের বিষয়টি আরও স্পষ্ট হয়েছে। এই সভায় সারা দেশ থেকে সব স্তরের শীর্ষ নেতারা অংশ নেন। তাদের কথায় তৃণমূলের সঙ্গে স্থানীয় সংসদ সদস্যদের বিরোধের প্রসঙ্গ উঠে এসেছে। আসছে নির্বাচনে দলীয় মনোনয়নের ক্ষেত্রে এসব বিষয় বিবেচনার আহ্বান জানিয়েছেন তারা।

মন্ত্রী–সংসদ সদস্যদের সঙ্গে বিরোধ তৃণমূলের, দুশ্চিন্তা আওয়ামী লীগে’ শীর্ষক এক প্রতিবেদনে এসব তথ্য তুলে ধরেছে প্রথম আলো। প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, আওয়ামী লীগের নীতিনির্ধারণী পর্যায়ের পাঁচ নেতার সঙ্গে কথা বলেছেন প্রতিবেদক। তাঁরাও দলের বিভেদকে চিন্তার কারণ হিসেবে দেখছেন বলে জানান। তবে তাঁরা এ–ও মনে করেন, গণভবনের বর্ধিত সভায় তৃণমূলের নেতারা দুঃখ, কষ্ট ও ক্ষোভ প্রকাশ করে ফেলায় কিছুটা লাভ হয়েছে। ফলে দ্বন্দ্ব মিটে না গিলেও ক্ষোভ প্রশমন হয়তো হতে পারে।

আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আহমদ হোসেন প্রথম আলোকে বলেন, দলে দ্বন্দ্ব-কোন্দল আছে, এটা ঠিক। তবে ভোটে আওয়ামী লীগের সবাই নৌকার পক্ষে ঐক্যবদ্ধ হয়ে যাবেন।

দ্বন্দ্ব-কোন্দল নির্বাচনে চ্যালেঞ্জ

সোমবার তৃণমূলের যেসব নেতা গণভবনে বর্ধিত সভায় অংশ নেন, তাঁদের সাতজনের সঙ্গে কথা বলেছে প্রথম আলো। তাঁদের মূল বক্তব্য হচ্ছে আওয়ামী লীগ গত ১৫ বছরে বিপুল উন্নয়ন করেছে। কিন্তু দলের জনপ্রতিনিধিদের জনপ্রিয়তা নেই। দলের মধ্যে বিভেদও প্রকট। এটাই বড় চিন্তার কারণ।

আওয়ামী লীগের দায়িত্বশীল সূত্র বলছে, এবার নির্বাচন ঘিরে বেশ কিছু চ্যালেঞ্জ আছে। বিএনপি নির্বাচন বর্জন করলে একক প্রার্থী রাখা কঠিন হবে। তখন দলের ভেতর থেকেই একাধিক নেতা বিদ্রোহী প্রার্থী হতে পারেন। এ ক্ষেত্রে নিজেদের মধ্যে দ্বন্দ্ব-সংঘাত আরও বাড়বে। এ ছাড়া বিএনপিবিহীন ভোটে অন্যান্য দলকে নির্বাচনে আনতে কিছু আসনে ছাড় দিতে হবে। বিএনপি থেকে দলছুট নেতাদের স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে দাঁড়াতে উৎসাহ দেওয়া হবে। তখন কোন আসনে কে ছাড় দেবে—এই নিয়ে বিরোধ হতে পারে।

সূত্র আরও জানায়, বিএনপি ভোটে এলে দলীয় মনোনয়নে বড় ধরনের পরিবর্তন আনতে হবে। কেননা, বর্তমান মন্ত্রী ও সংসদ সদস্যদের অনেককেই নিজ আসনের ভোটাররা পছন্দ করেন না। প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ ভোটে জয় পেতে হলে যেনতেন প্রার্থী দেওয়া যাবে না।

প্রতিবেদনটি বিস্তারিত পড়ুন প্রথম আলোয়

আপনার জন্য নির্বাচিত সংবাদ

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Scroll to Top