জাতীয় নির্বাচনে কোন দিকে যাবে জাতীয় পার্টি?

দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকালীন জাতীয় পার্টি কোন জোটের সঙ্গে থাকবে, তা নিয়ে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। বিষয়টি নিয়ে সংশয় রয়েছেন দলটির শীর্ষ নেতারাও। দলটির একটি অংশ ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের সঙ্গে থাকতে চায়। অন্য অংশ চায় স্বতন্ত্রভাবে নির্বাচনে যেতে। যদিও এ নিয়ে দলটির অবস্থান স্পষ্ট নয়।

‘সরকারের সঙ্গে থাকতে চায় জাপার একটি অংশ, অন্যটি দ্বিধাগ্রস্ত’ শীর্ষক একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে প্রথম আলো।

জাতীয় পার্টির দায়িত্বশীল সূত্রের বরাতে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, একটি অংশের সরকারের সঙ্গে থাকার, অন্য অংশটির স্বতন্ত্র অবস্থান নেওয়ার তৎপরতা দলের নেতা-কর্মীদের মধ্যে ধোঁয়াশা তৈরি করেছে। তারা এখনো বুঝতে পারছেন না, আগামী নির্বাচনে জাপার ভূমিকা কী হবে। কারণ, প্রকাশ্যে না হলেও ভেতরে-ভেতরে দলের অভ্যন্তরে দুটি ধারা স্পষ্ট। একটি ধারা দলের চেয়ারম্যান জি এম কাদেরের নেতৃত্বে, অন্যটি দলের প্রধান পৃষ্ঠপোষক ও সংসদে বিরোধীদলীয় নেতা রওশন এরশাদকে ঘিরে। যে অংশটি সরকারের সঙ্গে থাকতে চায়, তারা গোপনে রওশনের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছে।

যদিও রওশন এরশাদের প্রকাশ্য কোনো তৎপরতা নেই। তিনি বার্ধক্যসহ নানা জটিলতায় শারীরিকভাবে অসুস্থ। প্রায় এক মাস থাইল্যান্ডের রাজধানী ব্যাংককে চিকিৎসা শেষে গতকাল মঙ্গলবার তিনি দেশে ফিরেছেন। নির্বাচন এলেই রওশন সক্রিয় হন। তিনি প্রকাশ্যে বর্তমান সরকারকে সমর্থন করেছেন। একই সঙ্গে সংবিধান অনুযায়ী নির্বাচনে অংশগ্রহণেরও আগাম ঘোষণা দিয়েছেন।

জাপার নেতারা বলছেন, এখানেই রওশন এরশাদের সঙ্গে জি এম কাদেরের মতবিরোধ। নির্বাচন সামনে রেখে বেশ কিছু দিন ধরে জাপার শীর্ষ নেতৃত্ব রাজনীতিতে একটা স্বতন্ত্র অবস্থান নেওয়ার চেষ্টা করছেন। সে লক্ষ্যে জাপার দুই শীর্ষ নেতা জি এম কাদের ও মো. মুজিবুল হক রাষ্ট্র পরিচালনায় সরকারের ভুলত্রুটি ধরে কঠোর সমালোচনা করে আসছেন। কিন্তু দলের ভেতর থেকে বিপরীতমুখী তৎপরতায় এখন পর্যন্ত স্বতন্ত্র অবস্থান স্পষ্ট করতে পারছেন না শীর্ষ নেতৃত্ব। এ ক্ষেত্রে দলে ভাঙনের আশঙ্কা করছেন অনেকে।

এ বিষয়ে দলটির বিভিন্ন পর্যায়ে নেতা-কর্মীদের সঙ্গে কথা বললে তাদের অনেকে বলছেন, জাপার নেতৃত্ব নিয়ে ‘মামলা-মোকদ্দমা’ দিয়ে এমনিতেই বিরোধ বাধিয়ে রাখা হয়েছে। জি এম কাদের যদি সরকারবিরোধী কোনো তৎপরতার সঙ্গে যুক্ত হন, তাহলে রওশন এরশাদকে দিয়ে দলে ভাঙন তৈরি করা হবে। এ কারণে তিনি বেশি দূর এগোতে পারছেন না।

পুরো প্রতিবেদনটি পড়ুন প্রথম আলোয়

আরও পড়ুন

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Scroll to Top