
দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনের পরে বিএনপির কর্মকৌশল নিয়ে দলের ভেতরে-বাইরে যেমন নানা মূল্যায়ন হচ্ছে, তেমনি রাজপথে আন্দোলনের ভবিষ্যৎ নিয়েও মাঠের নেতা-কর্মী-সমর্থকরা প্রশ্ন তুলেছেন, জানতে চাইছেন, এই আন্দোলনের শেষ কোথায়?
২০০৭ সালের নির্বাচন বাতিল হওয়ার পর জরুরি অবস্থা জারি, সেনা নিয়ন্ত্রিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের ক্ষমতা গ্রহণ, তিন মাসের বদলে সেই সরকারের প্রায় দুই বছর ক্ষমতায় থাকা এবং ছবিযুক্ত ভোটার তালিকা করে ২০০৮ সালের শেষে নির্বাচনের পর থেকেই ‘বেকায়দায়’ বিএনপি।
সেই নির্বাচনে জাতীয় পার্টি, জাসদ ওয়ার্কার্স পার্টি ও ছোট ছোট আরো কয়েকটি দলের সঙ্গে আওয়ামী লীগ জোট করে এবং জামায়াত, ইসলামী ঐক্যজোট ও জাতীয় পার্টি থেকে বের হয়ে গঠন হওয়া বিজেপির সঙ্গে বিএনপির জোটকে ধরাশায়ী করে ফেলে।
এরপর নির্বাচন হয়েছে আরো তিনটি। এর মধ্যে দুটি বর্জন করেছে বিএনপি, মাঝে ২০১৮ সালের নির্বাচনে গিয়ে ইতিহাসের সবচেয়ে খারাপ ফল করেছে।
দশম ও দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনের আগে আগে আন্দোলনে যাওয়া বিএনপির ঘোষণা ছিল নির্বাচন হতে না দেওয়ার। কিন্তু তেমনটি হয়নি; আর বিএনপির একাধিক শীর্ষ নেতা পরে বলেছেন, ২০১৪ সালের দশম সংসদ নির্বাচন বর্জনটাই ছিল ‘বড় ভুল’।



